আলুটিলা বিশেষ পর্যটন জোন নয়, সেটলারদের পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক জোন গঠন করুন

0
1

।। মন্তব্য প্রতিবেদন ।।
খাগড়াছড়ির আলুটিলায় বিশেষ পর্যটন জোন গঠনের প্রস্তাব নিয়ে রাজনীতির মাঠ এখন বেশ সরগরম। ইতিমধ্যে এলাকার লোকজন ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রস্তাবের বিরোধীতা করে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালিত হচ্ছে। আলুটিলা ভূমি রক্ষা কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং উচ্ছেদ আতঙ্কে থাকা এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে পর্যটনের নামে ভূমি বেদখল প্রতিরোধ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। অতীতের বহু অভিজ্ঞতা থেকে চোখ বন্ধ করে বলা যায়, সরকারের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আলুটিলা থেকে সকল পাহাড়ি উচ্ছেদের শিকার হবেন। এ কারণে তারা বিশেষ পর্যটন জোন গঠনের প্রস্তাবকে তাদেরকে নিজ জমি থেকে বিতাড়িত করার এক সুগভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।Alutla

নথি থেকে প্রাপ্ত তথ্য
মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের একটি নথি¹ থেকে জানা যায়, আলুটিলা পাহাড়ে পর্যটন জোন গঠনের প্রস্তাব ৩ এপ্রিল ২০১৬ তারিখ উক্ত উপজেলা থেকে প্রথম দেয়া হয়। মাটিরাঙ্গা ইউএনও-র (যিনি জামায়াতের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে প্রকাশ) উক্ত প্রস্তাব পাওয়ার পর ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে যুক্ত বাংলাদেশ অথনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ১৫ জুন ২০১৬ খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক বরাবর একটি চিঠি দেন²।

এতে বলা হয়, ‘খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মাটিরাংগা ও খাগড়াছড়ি সদর উপজেলাধীন ২০৫ নং তৈকাতাং ও ২৬২ গোলাবাড়ী মৌজায় ৬৪০.০০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাব পাওয়া যায়। গত ০৭-০৪-২০১৬ তারিখে বেপজা’র প্রাথমিক স্থান নির্বাচন কমিটির সভায় আলুটিলা বিশেষ পর্যটন জোন, খাগড়াছড়ি নামে উক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। উক্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্তর্গত খাস জমি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অনুকূলে প্রতীকী মূল্যে বন্দোবস্ত করার লক্ষ্যে জমির দাগসূচী, অবস্থান এবং মৌজা ম্যাপ আবশ্যক।’

এরপর খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের অনুরোধে সদর ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিস প্রস্তাবিত জমি বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় জমির দাগসুচি, মৌজা ও অবস্থান ম্যাপ সংক্রান্ত তথ্য উপজেলার সহরকারী কমিশনার (ভূমি) হতে সংগ্রহ করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে।³  এতে প্রস্তাবিত মোট জমির পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৬৯৯.৯৮ একর। এর মধ্যে রয়েছে মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন ২০৪ নং আলুটিলা মৌজার ৬৩৬ নং দাগের মোট ৩২৫.৩৮ একর থেকে ৪ একর, ২০৫ নং তৈকাতাং মৌজার ৩ নং দাগের (মোট জমির পরিমাণ উল্লেখ নেই) জমি থেকে ৬০০ একর এবং খাগড়াছড়ি সদর উপজেলাধীন ২৬২ নং গোলাবাড়ী মৌজার ৪৮৫৭, ৪৮৫৫ ও ০৬ নং দাগের মোট ২৫৮.৪০ একর থেকে ৯৫.৯৮ একর। গোলাবাড়ী মৌজার ৬ নং দাগের মংসাইগ্য চৌধুরীর ৮ একর ছাড়া বাকি সব জমি (৬৯১.৯৮ একর) সরকারী মালিকানাধীন বা খাস দেখানো হয়েছে। নিচে প্রতিবেদনের সংশ্লিষ্ট অংশ সংযোজিত হল:

Alutila land crop2

আসল চিত্র ভিন্ন
প্রস্তাবিত প্রায় সব জমি খাস দেখানো হলেও ওই জমিতে রয়েছে ২১টি প্রতিষ্ঠিত ত্রিপুরা গ্রাম। আর সেখানে বাস করছেন ৫১৮টি পরিবারের ২,১৫৩ জন। অনেক গ্রাম শত শত বছর ধরে সেখানে টিকে আছে। এছাড়া প্রস্তাবিত জমিতে ৬টি হিন্দু মন্দির, ২টি গীর্জা ও ১টি বৌদ্ধ বিহার রয়েছে। আরও রয়েছে সরকারী ও বেসরকারী স্কুল, ব্র্যাক ও জাবারাং পরিচালিত স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার এবং ৭টির মতো শ্মশান।

আলুটিলার এই হতদরিদ্র ত্রিপুরা পরিবারগুলো জীবিকার জন্য মূলতঃ জুম চাষের উপর নির্ভরশীল। খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে বেশী দূরে না হলেও তারা শিক্ষা-দীক্ষা ও অর্থনৈতিকভাবে বেশ পশ্চাৎপদ। যে জমিতে তারা চাষ ও বসবাস করেন তার মালিকানা দলিলও তাদের নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ ভূমি ব্যবস্থাপনার কারণে প্রয়োজনও ছিল না। আর যখন এসব দলিলের প্রয়োজন পড়ে, তখন সরকারীভাবে ভূমি বন্দোবস্ত বন্ধ করা হয়। এ কারণে তাদের জমিগুলো খাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকতে পারে। তাই পর্যটন জোন গঠনের নামে ওই বিশাল পরিমাণ জমি অধিগ্রহণ করা হলে তারা বিনা ক্ষতিপূরণে উচ্ছেদ হয়ে যাবেন।

অথচ ভূমি অফিসের রেকর্ডপত্রে তারা অস্তিত্বহীন হলেও তারা নিজ নিজ গ্রাম থেকে জন্ম নিবন্ধন ও ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। এখানে তাদের পূর্বপুরুষরা জন্মেছেন, বহু পরিশ্রম করে জুমে সোনার ফসল ফলিয়েছেন, পরিবার প্রতিপালন করেছেন এবং সারা জীবন কাটিয়ে শেষে এই মাটিতেই মিশে গেছেন। পূর্ব পুরুষদের এই ভিটেমাটি থেকে মালিকানা দলিল না থাকার অজুহাতে রাষ্ট্রীয় শক্তির জোরে তাদেরকে উৎখাত করা হবে চরম অমানবিক ও সকল ধরনের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।

Khagrachari

ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বাগান মালিকরাও
প্রস্তাবিত জমিতে ৩৮ ব্যক্তি ও সমিতির নামে জমি ও বাগান বাগিচা রয়েছে। এসব ব্যক্তির মধ্যে আছেন প্রাক্তন সাংসদ যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, তার স্ত্রী ক্রাইচাউ মারমা, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জাহেদুল আলম, আজিমুল হকসহ আরো অনেকে। এছাড়া সেখানে খৃষ্টান মিশন, জুনো পহর সমিতি, টিপু ফার্মেসী ও মারমা মালিক সমিতির (উষা মারমা) বাগান রয়েছে। তারা এসব ফলজ ও বনজ বাগান করে বছরে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করে থাকেন। অধিগ্রহণ করা হলে তারাও প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতির শিকার হবেন এবং এসব আয় থেকে বঞ্চিত হবেন।

জমি কি আসলে খাস?
পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের উৎপাদন পদ্ধতি হলো সরল। এজন্য জমির উপর ব্যক্তিগত মালিকানার ধারণা তাদের মধ্যে গড়ে ওঠেনি। বৃটিশরাই প্রথম পার্বত্য চট্টগ্রামে হালকৃষি প্রবর্তনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত মালিকানার ধারণা নিয়ে আসে। প্রথমে হালচাষের জমিতে এবং পরে পাহাড়ি জমিতে (bumpy land) ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত মালিকানা প্রচলিত হয়। তবে দেড়-দু’ শ বছর পরও এখনো বহু এলাকায়, এবং বিশেষত যেসব অঞ্চলে জুম চাষ হয় সেখানে, জমির মালিকানা দলিল পাওয়া যাবে না। এসব এলাকায় জমির মালিকানা হলো যৌথ বা কমিউনিটি ভিত্তিক। এখানে ব্যক্তি কেবল নির্দিষ্ট জমিখ- ব্যবহারের অধিকার পায়। তাই পাহাড়িদের নিজস্ব ঐতিহ্যগত ভূমি ব্যবস্থাপনায় ‘খাস’ জমির কোন অস্তিত্ব নেই। অপরদিকে সরকার পাহাড়িদের কমিউনিটি বা যৌথ মালিকানার প্রথা স্বীকার করতে চায় না, যদিও মুখে ও কাগজে কলমে ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রচলিত আইন, রীতি ও পদ্ধতি’4 অনুযায়ী ভূমি সমস্যার সমাধানের কথা বলা হয়।

বিরোধীতার কারণ
আলুটিলা ভূমি রক্ষা কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠন, এনজিও, মুক্তিযোদ্ধা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রধানমন্ত্রীকে যে স্মারকলিপি দেন সেখানে আলুটিলা বিশেষ পর্যটন জোন গঠনের বিরোধীতার ১১টি কারণ তুলে ধরা হয়েছে। উন্নয়ন সবার কাম্য, কেউ পশ্চাদপদ হতদরিদ্র হয়ে থাকতে চায় না। কিন্তু যাদের জন্য উন্নয়ন, তারাই যদি সেই উন্নয়নের বলী হয়, সেই উন্নয়নের কারণে নিজ বাপদাদার ভিটেমাটি থেকে উৎখাত হন, অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হন, তাহলে সেই উন্নয়ন কাম্য হতে পারে না, সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। অতীতে কাপ্তাই বাঁধ থেকে শুরু করে সরকারের নেয়া বহু উন্নয়ন প্রকল্প পাহাড়িদের সর্বনাশের কারণ হয়েছে। এখানে সে সম্পর্কে বিস্তারিত লেখার প্রয়োজন নেই। তবে এখানে এটা বলা যথেষ্ট হবে যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে উন্নয়ন ও পাহাড়ি উচ্ছেদ প্রায় সমার্থক।

পার্বত্য চুক্তির পর থেকে পর্যটনের উন্নয়ন ঘটিয়ে পাহাড়িদের ভাগ্য ফেরানোর বহু কল্প কাহিনী শোনানো হচ্ছে। অথচ বান্দরবান, রাঙামাটি ও সাজেকে পর্যটনের অভিজ্ঞতা পাহাড়িদের জন্য মোটেই সুখকর নয়। পর্যটন কার্যক্রমের সুফল পাওয়া দূরের কথা, তাদের অস্তিত্বই আজ গভীরভাবে সংকটাপন্ন। তাই পর্যটন পাহাড়িদের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বিকল্প প্রস্তাব
আলুটিলা বিশেষ পর্যটন জোন না করে সমতলে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করে সেখানে সেটলারদের পুনর্বাসন করা হোক। জানা যায় আলুটিলায় উক্ত পর্যটন প্রকল্পের জন্য কয়েক শত কোটি টাকা খরচ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ এভাবে নিরীহ হতদরিদ্র ও পশ্চাৎপদ একটি জনগোষ্ঠীকে উৎখাত করার ‘উন্নয়নে’ ব্যবহার করা কোনভাবেই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না। এই অর্থ আরেক দরিদ্র জনগোষ্ঠী, যাদেরকে তথাকথিত কাউন্টার-ইন্সার্জেন্সির হাতিয়ার হিসেবে নির্দয়ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সেই বাঙালি সেটলারদেরকে সমতলে অর্থনৈতিক জোন সৃষ্টির মাধ্যমে পুনর্বাসনের জন্য খাটানো হোক। এতে পাহাড়েও স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে, সেটলারদেরও ভাগ্যের পরিবর্তন হবে এবং দেশেরও উন্নয়ন ঘটবে। এর বাড়তি লাভ: সেটলারদের পাহারা দেবার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয়ে সেনা উপস্থিতিরও প্রয়োজন হবে না। সমতলে অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের জন্য জমিরও অভাব হবে না। কারণ প্রতি বছর ১৬ বর্গ কিলোমিটর জমি দেশের ভূখণ্ডের সাথে যোগ হচ্ছে। এসব জমিতে অনেকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। (সূত্র: প্রথম আলো, ৫ আগষ্ট ২০১৬) সেখানে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠন করা হলে কেউ উচ্ছেদ হবে না, বরং জমিগুলোর সদ্ব্যবহার হবে। তাছাড়া বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে বিশেষ ব্যবস্থায় ভূমি সৃষ্টি (reclamation) করতে পারে, এবং সেই ভূমির পরিমাণ বর্তমান বাংলাদেশের আয়তনের সমান হতে পারে। সিঙ্গাপুর, ইউনাইটেড আরব আমিরাত ও কুয়েত এভাবে ইতিমধ্যে সমুদ্রে জমি সৃষ্টি করেছে। (ডেইলী স্টার, জুলাই ০৬, ২০০০) বাংলাদেশ সরকারও ইতিমধ্যে এ কাজে নেমে পড়েছে বলে জানা যায়। বঙ্গোপসাগর থেকে ৬০০ বর্গকিলোমিটার ভূমি উদ্ধারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ক্লাইমেট চেঞ্জ ফান্ড থেকে ৩৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। (কালের কণ্ঠ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১০)। আলুটিলায় পর্যটন জোন গঠনের নামে পাহাড়িদের উচ্ছেদ ও তাদের সংস্কৃতি ধ্বংস না করে ওই পর্যটন প্রকল্পের জন্য ব্যয়িতব্য অর্থ বঙ্গোপসাগরে ভূমি উদ্ধার ও সেটলার পুনর্বাসনের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। এতে একসাথে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা, জমি সমস্যা, জনসংখ্যার সমস্যাসহ দেশের বহু সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

অন্যদিকে আলুটিলা পর্যটন জোন অর্থনৈতিকভাবেও লাভজনক হবে না। বরং ইতিমধ্যে সেখানে বিভিন্ন ফলজ ও বনজ বাগান সৃজনের মাধ্যমে যে লাভজনক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটছে তা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। তাই আমাদের প্রত্যাশা, সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং অবিলম্বে আলুটিলা বিশেষ পর্যটন জোন, খাগড়াছড়ি নামে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বাতিল পূর্বক আমাদের দেয়া বিকল্প প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ অর্থনেতিকভাবে এখন অনেক সমৃদ্ধ এবং অগ্রসরমান। সেটলার পুনর্বাসনে অর্থ যোগান কোন সমস্যা নয়, সমস্যা হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও আন্তরিকতার অভাব। আশাকরি সরকার এদিক দিয়েও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দূরদর্শীতা ও উদারতা দেখাবেন।#
———————
1. স্মারক নং: ০৫.৪২.৪৬৭০.০১৩.০০.০০২.১৫- ৩০৩
2. স্মারক নং ০৩.৭৫৯.১৪.৫৩.০০.০৫৮.২০১৬- ১০৫৩
3. স্মারক নং: ০৫.৪২.৪৬৭০.০১৩.০০.০০২.১৫- ৩০৩
4. ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি-বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন, ২০০১ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ, অধ্যাদেশ আদেশ নং ০১, ২০১৬ দেখুন।

————————————–

সিএইচটি নিউজ ডটকম’র প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দিলে যথাযথ সূত্র উল্লেখপূর্বক ব্যবহার করুন।


Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.