নবাবগঞ্জে সংখ্যালঘু জাতির একজনকে পিটিয়ে হত্যা

0
0

সিএইচটিনিউজ.কম ডেস্ক:
Noabgonjoজমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় ঢুডু সরেন (৫২) নামে সংখ্যালঘু জাতির একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার উপজেলার হিলিরডাংগা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে আটক করেছে।

বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ার সূত্রে জানা যায়, সকাল নয়টার দিকে ঢুডু সরেন হিলিরডাংগা বাজারে বাইসাইকেল মেরামত করাতে যান। সেখান থেকে ঢুডু সরেনসহ তিনি সাইকেলে বাড়ি আসছিলেন। পথে খালিপপুর গ্রামে গোফফারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে গোফফার ও তাঁর ভাই আজাহার আলী তাঁদের গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে গোফফার তাঁকে আটকে রাখেন ও আজাহার আলী ঢুডু সরেনকে মারতে মারতে গোফফারের বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময় তিনি সেখান থেকে পালিয়ে বাজারে চলে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে কাঠ ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনসহ বেশ কয়েকজন বাজার থেকে ঢুডু সরেনকে রক্ষা করার জন্য গোফফারের বাড়িতে ছুটে আসেন।

মোতালেব হোসেন অভিযোগ করেন, তিনি গোফফারের বাড়িতে গিয়ে গোফফার, তাঁর ভাই আজাহারসহ ছয়-সাতজনকে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে ঢুডুকে আঘাত করতে দেখেন। এ সময় তিনি (মোতালেব) কয়েকজনকে নিয়ে ঢুডুকে রক্ষা করতে গেলে তাঁদের তারা (হামলাকারীরা) ধাওয়া দেন। একপর্যায়ে বাজার থেকে আরও লোকজন ঘটনাস্থলে এলে গোফফার ও তাঁর লোকজন সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরে মোতালেব ও ঢুডুর ছেলে রবি মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে (ঢুডু) প্রথমে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎ​সাধীন অবস্থায় বেলা দুইটার দিকে ঢুডু মারা যান।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলাম গতকাল রাত আটটার দিকে বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই গোফফারের লোকজন ঢুডু সরেনকে হত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোফফারের স্ত্রী হাওয়া বেগমকে আটক করা হয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঢুডুর লাশের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় শিগগিরই মামলা করবে ঢুডুর পরিবার।

সূত্র: অনলাইন মিডিয়া
———

সিএইচটিনিউজ.কম’র প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দিলে যথাযথ সূত্র উল্লেখপূর্বক ব্যবহার করুন।


Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.