শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮
সংবাদ শিরোনাম

বান্দরবানে ইউপিডিএফ-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা

বান্দরবান : ইউপিডিএফ-এর ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ২৬ ডিসেম্বর ২০১৭ বান্দরবানে “পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান পরিস্থিতিতে পার্টি ও জনগণের ভূমিকা” শীর্ষক এক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংগঠনের বান্দরবান জেলা অফিসে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন ইউপিডএফ-এর বান্দরবান জেলা সংগঠক ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) বান্দরবান জেলা আহ্বায়ক হ্লাচিং মারমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সদস্য পাইমং মারমা। সভা পরিচালনা করেন প্রতীম চাকমা।

সভা শুরুতে অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে যারা নিজেকে আত্মবলিদান দিয়ে শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

সভায় ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ইউপিডিএফ পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে নিপীড়িত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য ইউপিডিএফ’র এই আন্দোলন। সরকারের নানা ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও ইউপিডিএফ তার লক্ষ্য পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ।

এ সময় তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের অতীতে ইতিহাসের কিছু চিত্রও তুলে ধরেন।

বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার ইউপিডিএফের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে নস্যাৎ করে দেয়ার জন্য নানা অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ‘অপরেশন উত্তরণ’ ও ‘১১ নির্দেশনা’ জারির মাধ্যমে সরকার ফ্যাসিস্ট কায়দায় নিপীড়ন-নির্যাতন চালাচ্ছে। ইউপিডিএফ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রতিনিয়ত অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে। নিত্য-নতুন ষড়যন্ত্র করে ইউপিডিএফের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে খাগড়াছড়িতে নব্য মুখোশ বাহিনী সৃষ্টি করে তাদেরকে ইউপিডিএফের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, শত ষড়যন্ত্র ও দমন-পীড়নেও ইউপিডিএফকে লক্ষ্যচ্যুত করা যায়নি। ভবিষ্যতেও করা যাবে না। তিনি পূর্ণস্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইউপিডিএফ’র নেতৃত্বে সংগঠিত হওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

ইউপিডিএফ নেতা পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
—————-
সিএইচটিনিউজ.কম’র প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দিলে যথাযথ সূত্র উল্লেখপূর্বক ব্যবহার করুন।


Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *