বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
সংবাদ শিরোনাম

পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন: আশির্বাদ না অভিশাপ? (২)

রাঙামাটির সাজেকের রুইলুই পর্যটন কেন্দ্র। এই পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কারণে উচ্ছেদের শিকার হতে হচ্ছে পাহাড়িদের।
# রাঙামাটির সাজেকের রুইলুই পর্যটন কেন্দ্র। এই পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার কারণে নিজ বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের শিকার হতে হচ্ছে পাহাড়িদের।

।। আর এস ত্রিপুরা।।

ল্যাতিন আমেরিকার অভিজ্ঞতা
বিশ্ব ব্যাংক ল্যাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোর আদিবাসী জনগণের সাথে তাদের কাজের অভিজ্ঞতার সার সংকলন করে লিখেছে “পর্যটন আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য সুফল আনতে পারে, তবে আদিবাসীদের জন্য তার খারাপ দিকও রয়েছে।” ল্যাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে সিনিয়র ইকনমিস্ট হিসেবে কর্মরত দর্তি ভার্নার (Dorte Verner) ‘আদিবাসীদের’ জন্য পর্যটনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, “কলম্বিয়ায় আদিবাসীদের সাথে কাজের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে পর্যটন প্রতিমন্ত্রী সিয়েরা নেভাদা অঞ্চলের কোগি জনগণের কাছ থেকে এথনো-ট্যুরিজম বিষয়ে তাদের মতামত নেন। কলম্বিয়ার অধিকাংশ নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং প্রাক-কলম্বিয়া যুগের প্রতœতাত্তিক সম্পদ কোগি’দের অঞ্চলে রয়েছে। কোগিরা সরাসরি জানিয়ে দেন তারা পর্যটন গন্তব্য হতে চান না। পর্যটন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তাদের মতামতকে সম্মান জানান এবং পর্যটন থেকে কোগিদের রক্ষা করতে নীতিমালা বাস্তবায়ন করছেন।”[১]

দর্তি প্রশ্ন করেন কেন কোগিরা এমন মত দিলো? তার নিজের এই প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেই দেন এবং আন্ড্রেস ব্যারোনার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “প্রথমত পর্যটন থেকে প্রাপ্ত প্রত্যক্ষ অর্থনৈতিক লাভের অংকটা যেমনটা বড় হবে বলে আশা হয় আদতে তা হয় না। কলম্বিয়ার আমাজনে ইয়েওয়ে দর্শনার্থী কেন্দ্রে (Yewae Visitor Centre) আদিবাসী সম্প্রদায়গুলো সম-অংশীদার হিসেবে কেন্দ্র থেকে নেট আয়ের ১০% পেলেও এবং তাদের ২০ জন সদস্য সার্বক্ষণিক চাকুরীতে নিযুক্ত হলেও, তাদেরকে সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগতভাবে চড়া মূল্য দিতে হয়। গত চার বছরে ইয়েওয়ে দর্শনার্থী কেন্দ্রে দর্শনার্থীর সংখ্যা চারগুণ বেড়েছে, যার ফলে পর্যটকদের জন্য হস্তশিল্প ও খাদ্য দ্রব্য তৈরি করতে গিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অধিক মাত্রায় চাপ পড়ে। দর্শনাথীরাও আদিবাসী সম্প্রদায়কে ভোগবাদের নতুন নতুন স্তরের সাথে পরিচয় ঘটিয়ে দেয়। আর ভালো মন্দ যাই হোক, অর্থনৈতিক লাভের ফলে নতুন প্রয়োজনও দেখা দেয়: যেমন ফ্লাশ লাইট, স্কুলের সরঞ্জাম এবং ‘জিনিসপত্র’। মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই তরুণ প্রজন্ম নিজেদের তিকুনা ভাষার প্রতি অনাগ্রহ দেখাচ্ছে এবং আচার-আচরণেও তিকুনা হবার আগ্রহ হারাচ্ছে। ব্যারোনা এমনকি সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল পর্যটন কেন্দ্র থেকেও কলম্বিয়ার আমাজনে জীব বৈচিত্র্য হ্রাস পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।”[২]

indigenous-peoples-in-latin-america

টেক্সাস এ এন্ড এম বিশ্ব বিদ্যালয়ের ফলিত জীব বৈচিত্র্যের অধ্যাপক আমান্ডা স্ট্রোনজা পেরুতে একটি আদিবাসী সম্প্রদায় এবং তাদের নিজেদের পরিচালিত পর্যটন কর্মসূচীর উপর একটি দীর্ঘ মেয়াদী গবেষণা চালান। এই পর্যটন কর্মসূচী সার্বিকভাবে আয় বৃদ্ধি করেছে, তবে সবার জন্য অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটায়নি। এখন শহরে নতুন ট্যুর অপারেটর ও ট্যুর গাইডদের মধ্যে আয় কেন্দ্রীভূত হয়েছে, যারা এখন আর ঐতিহ্যগত উৎপাদনের কাজে অংশগ্রহণ করেন না। ট্যুর অপারেটররা গরু ছাগল পালনের জন্য রক্ষিত বনাঞ্চলে জমি কিনেছে। এভাবে পর্যটন জাতিসত্তার ঐতিহ্যগত কাঠামোতে এবং জীব বৈচিত্র্যে আঘাত হেনেছে।[৩]

সংখ্যালঘু জাতির উপর পর্যটনের নেতিবাচক প্রভাব
পর্যটনকে টেকসই উন্নয়নের দাওয়াই হিসেবে প্রচার করা হয়। কিন্তু পর্যটনের কথিত সুফল যেমন চাকুরী সৃষ্টি, অবকাঠামোর উন্নয়ন ইত্যাদি আদিবাসীদের ঘরে পৌঁছায়নি। পর্যটন শিল্পের ধ্বংসাত্মক প্রবণতা যেমন পরিবেশ দূষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিশাল সমস্যা, ভূমি থেকে উচ্ছেদ, মানবাধিকার লঙ্ঘন, শ্রম ও মজুরী বৈষম্য, সংস্কৃতির পণ্যকরণ ইত্যাদি বিশ্বের বহু আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বিপুল ক্ষতি সাধন করেছে।[৪]

নিচে সংখ্যালঘু জাতি বা আদিবাসীর উপর পর্যটনের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হল:

১.ভূমি থেকে উচ্ছেদ: পর্যটনের কারণে নিজ জমি-বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ হওয়া, জমির উপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর অভিজ্ঞতা পৃথিবীর অধিকাংশ আদিবাসী বা সংখ্যালঘু জাতির রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগণও তার ব্যতিক্রম নয়। বান্দরবানে ম্রো জাতির লোকজনকে উৎখাত করে পর্যটনের হোটেল, মোটেল বানানো হয়েছে। এতে তারা নিজেদের জুম চাষের জমির উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন। বর্তমানে খাগড়াছড়ির আলুটিলায় ৭০০ একর জমিতে বিশেষ পর্যটন জোন গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কয়েক হাজার ত্রিপুরা জাতিসত্তার লোকজন তাদের বংশপরম্পরার জমি থেকে চিরতরে উৎখাত হবেন।

২.মানবাধিকার লঙ্ঘন: জোর জবরদস্তিমূলক পর্যটনের সাথে মানবাধিকার লঙ্ঘন গলায় জড়াজড়ি করে চলে। বান্দরবানে চিম্বুক পাহাড়ে পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে (২০০৭ ) হেডম্যান রাংলাই ম্রো চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছিলেন।

৩.বন ও পরিবেশ ধ্বংস: অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন বন ও পরিবেশের চরম ক্ষতি করে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৫-২০০৬ সালে রাঙামাটির সাজেকে পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে বাঘাইহাট থেকে রুইলুই মোন বা পাহাড় পর্যন্ত প্রশস্ত পাকা রাস্তা তৈরী করা হয়। এর ফলে এক সময় গভীর বনে আচ্ছাদিত সাজেক অঞ্চল এখন বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। পরিবহনের সুবিধার কারণে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গাছ কাটা হয়েছে। শতবর্ষী বিরল প্রজাতির গাছ যেমন চাপালী, গর্জন ইত্যাদি ধ্বংস করা হয়েছে।

৪.পণ্যকরণ: সংখ্যালঘু জাতিসত্তার এলাকায় পর্যটন তাদের সাংস্কৃতিকে পণ্যে রূপান্তরিত করে। পর্যটন হলো মূলত একটি ব্যবসা, এবং যে কোন ব্যবসার মতো এর প্রধান বা একমাত্র লক্ষ্য হলো মুনাফা। অন্যান্য পণ্য যেমন ক্রেতার চাহিদা লক্ষ্য করে প্রস্তুত করা হয়, আকর্ষণীয় করতে রঙচড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়, সংখ্যালঘু জাতির সংস্কৃতিকেও তেমনিভাবে পর্যটকদের কাছে উপস্থাপনের চেষ্টা চলে। এভাবে তাদের সংস্কৃতিকে বিকৃত করা হয়।

৫.হীনমন্যতার সৃষ্টি: অনেক পর্যটক ভিন্ন সমাজ ব্যবস্থা থেকে আসে আমোদ ফূর্তির খোঁজে। তাদের জীবনধারা অন্য রকম। তারা কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে এবং সবকিছু টাকা দিয়ে পেতে চায়। তারা উন্নত আধুনিক প্রযুক্তি, মোবাইল, ক্যামেরা ইত্যাদি ব্যবহার করে। স্থানীয় সমাজে এর প্রভাব পড়ে এবং অনেকে তাদের আচরণ হুবহু অনুকরণ করতে চায়। এতে নানারকম পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা তৈরি হয়।

৬.অপরাধ বৃদ্ধি: গণ পর্যটন বৃদ্ধির সাথে সাধারণত অপরাধও বেড়ে যায়। যেমনটা ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোতে দেখা গেছে।

৭.জীবিকার উপায় ধ্বংস: পর্যটন স্থানীয়দের ঐতিহ্যগত জীবিকার উপায় বা আত্ম-নির্ভরশীল অর্থনীতিকে ধ্বংস বা হুমকির সম্মুখীন করে।

৮.নিজ এলাকায় প্রবেশাধিকার নিষেধ: পর্যটনের উন্নয়নের ফলে নিজেদের প্রাকৃতিক সম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনা অসংখ্য। ফিলিপাইনে বোড়াকে দ্বীপের (Boracay Island) এক চতুর্থাংশ কিনে নেয় বাইরের একটি কর্পোরেশন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে পানির সংকট দেখা দেয়। একইভাবে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে বড় বড় হোটেল ও গল্ফ খেলার মাঠের জন্য উন্নত কৃষি জমি ও পানি সরবরাহ নিয়ে যাওয়া হয়।[৫]

৯.বেশ্যা বৃত্তি: পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে পর্যটন বৃদ্ধির সাথে সাথে শিশু ও মেয়েদের যৌন ব্যবসায় ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার দৃষ্টান্ত দেখা যায়। পর্যটন একই সাথে ভোগবাদও নিয়ে আসে। ফলে একটি টিশার্ট, কিছু নগদ টাকা, বাইক, প্লেনের টিকেট ইত্যাদির বিনিময়ে দেহ ব্যবসায় নিয়োজিত হতে শিশু ও মেয়েরা সহজেই প্রলুব্ধ হয়।

ট্রাইবাল ট্যুারিজম বা উপজাতি পর্যটন
আজকাল ট্রাইবাল ট্যুরিজম নামে এক ধরনের পর্যটন প্রচলিত হয়েছে। এটা এমন এক ধরনের পর্যটন যেখানে ‘উপজাতিরা’ পর্যটকদেরকে তাদের গ্রামে ভ্রমণের সুযোগ দেয়, যাতে এই পর্যটকরা তাদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ‘উপজাতি’ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায়। এ ধরনের পর্যটন বিশেষত গড়ে উঠেছে ল্যাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে, যেমন পেরু, ব্রাজিল ও গুয়েতেমালায়। এই ধরনের পর্যটনে আর্থিক লাভ এবং ‘আদিবাসীদের’ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও, এর সামাজিক ক্ষতির দিক প্রচুর। যেসব অঞ্চলে ‘ট্রাইবাল ট্যুরিজমের’ বিস্তার ঘটেছে সেখানে ‘আদিবাসীদের’ সংস্কৃতির ব্যাপক পরিবর্তন ও বিকৃতি ঘটেছে। ‘আদিবাসীরা’ যে জিনিসকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে, পুজো করে, অনেক পর্যটক সেগুলোকে অশ্রদ্ধার চোখে দেখে থাকে। ফলে ‘আদিবাসীদের’ সম্পর্কে তাদের মনে খারাপ ধারণা গড়ে উঠে। এ কারণে গার্জিয়ান পত্রিকার মতে, বিশে^ প্রায় ১০০টি ‘আদিবাসী উপজাতি’ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।[৬]

ইকো ট্যুরিজম
বর্তমান বিশ্বে ইকো ট্যুরিজম বেশ জনপ্রিয় হলেও তা প্রাকৃতিক পরিবেশ ও সংখ্যালঘু জাতির ওপর কিরূপ বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে তা ইতিমধ্যে কিছুটা বলা হয়েছে। ইকো ট্যুরিজমের নামে প্রায়শ মূল্যবান উদ্ভিদ ও প্রাণীর অনুসন্ধান ও বাইও-পাইরেসি বা জীববৈচিত্র্য চুরির ঘটনা ঘটে থাকে। অনেক ইকো ট্যুরিজম সম্পর্কিত ভ্রমণের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ ধরনের ভ্রমণের সময় বিজ্ঞানী, পর্যটক, ছাত্র ও গবেষকরা বনে প্রবেশ করে স্থানীয় গাছপালা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ-ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও জীববৈচিত্র্য চুরি করে থাকে এবং অনেক ক্ষেত্রে বহু শতাব্দী ধরে সঞ্চিত জ্ঞান-ভা-ার চুরি ও প্যাটেন্ট করার চেষ্টা চালায়।[৭] ইকো ট্যুরিজমের নামে ‘আদিবাসীদের’ শত শত বছরের অভিজ্ঞাতা সমৃদ্ধ জ্ঞান ভা-ার চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অমূলক নয়। এসব কারণে ইকো ট্যুরিজম কোন কোন অঞ্চলে ‘আদিবাসীদের’ সমর্থন লাভ করেনি। যেমন উদাহরণস্বরূপ, ১৯৯৭ সালে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ‘আদিবাসীরা’ তাজ রিসোর্ট হোটেলের বিরুদ্ধে এক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাজ হলো আন্তর্জাতিক এনভায়রনমেন্ট ইনিশিয়েটিভ-এর সদস্য এবং টেকসই ট্যুরিজম সৃষ্টির জন্য এই তাজ হোটেলকে প্রশংসা করা হয়। ‘আদিবাসীরা’ তাদের বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ হওয়ার পর বনে প্রবেশাধিকার হারানোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় এবং নাগারাহোল ন্যাশন্যাল পার্কে তাজের একটি ইকো রিসোর্ট তৈরির বিরোধীতা করে। বন রক্ষা করতে গিয়ে ২০ জন ‘আদিবাসী’ গ্রেফতার হন। আদালতে আইনী লড়াইয়ে ‘আদিবাসীরা’ জয়লাভ করেন। তাজ হোটেলের দাবি তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় লোকজন লাভবান হতেন, কিন্তু ‘আদিবাসীরা’ বলেন ‘উন্নয়নের’ সম্ভাব্য লাভালাভের বিষয়টি তাদের কাছে মুখ্য নয়, তাদের কাছে মুখ্য বিষয় হলো তাদের জমি, সম্পদ ও সংস্কৃতির উপর নিয়ন্ত্রণ।[৮] … চলবে

[1] Tourism and indigenous peoples: Lessons from recent expericences in eco and ethno tourism in Latin America and Caribbean, by Dorte Verner.

[2] Tourism and indigenous peoples: Lessons from recent expericences in eco and ethno tourism in Latin America and Caribbean, by Dorte Verner.

[3] Tourism and indigenous peoples: Lessons from recent expericences in eco and ethno tourism in Latin America and Caribbean, by Dorte Verner. en breve, Responsible Tourism Series, August 2009, Number 144.

[4] Globalization, Tourism and Indigenous peoples: What you should know about the world’s largest industry, by Lee Pera and Deborah Mclaren, 1999.

[5] Negative socio-cultural impacts from tourism: change or loss of indigenous identity and values, http://www.unep.org/resourceefficiency/Business/SectoralActivities/Tourism/FactsandFiguresaboutTourism/ImpactsofTourism/Socio-CulturalImpacts/NegativeSocio-CulturalImpactsFromTourism/tabid/78781/Default.aspx

[6] Deteriorating cultures: The destructive effects of tribal tourism, by Grace Kranstover, Research Associate at the Council on Hemispheric Affairs, http://www.coha.org/deteriorating-cultures-the-destructive-effects-of-tribal-tourism

[7] ‘There are concerns about numerous “ecotourism” trips where scientists, tourists, students and researchers enter into forests to collect information about local plants and ecosystems, stealing biodiversity and, in some cases, attempting to patent life and the stealing of knowledge developed over centuries.’ Globalization, Tourism and Indigenous Peoples: What you should know about the World’s largest Industry, by Lee Pera and Deborah Mclaren

[8] The History of Indigenous Peoples and Tourism, https://www.culturalsurvival.org/ourpublications/csq/article/the-history-indigenous-peoples-and-tourism

———————–
সিএইচটি নিউজ ডটকম’র প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দিলে যথাযথ সূত্র উল্লেখপূর্বক ব্যবহার করুন।


Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.