খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ’র নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি

0
2
ডেস্ক রিপোর্ট
সিএইচটিনিউজ.কম
ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)-এর খাগড়াছড়ি জেলা ইউনিটের সমন্বয়ক প্রদীপন খীসা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি কণিকা দেওয়ান ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি থুইক্যচিং মারমা আজ ১৫ নভেম্বর এক যুক্ত বিবৃতিতে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা, ষড়যন্ত্র ও হয়রামিূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।বিবৃতিতে তারা বলেন, খাগড়াছড়িতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনের উছিলায় প্রশাসন গত ৯ ও ১০ নভেম্বর কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন আয়োজনে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) ১১ নভেম্বর খাগড়াছড়ি জেলায় সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধ পালন করে। এ অবরোধ কর্মসূচিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশে পুলিশ খাগড়াছড়ি সদর থানা সহ বিভিন্ন থানায় ইউপিডিএফ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা দায়ের করে। মামলাগুলোর মধ্যে খাগড়াছড়ি সদর থানায় ৫টি, দিঘীনালা থানায় ৪টি, পানছড়ি থানায় ২টি, মাটিরাঙ্গা থানায় ১টি, গুইমারা থানায় ২টি, মহালছড়ি থানায় ১টি ও লক্ষীছড়ি থানায় ১টি মামলা করা হয়েছে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে উপরোক্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন- যাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে তারা অনেকে সেদিন খাগড়াছড়িতে ছিলেন না, অবরোধের সাথেও তারা সম্পৃক্ত নয়। যেমন- ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমা ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রীনা দেওয়ান অবরোধের সময় চট্টগ্রামে সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এ মামলা দায়েরের ঘটনাকে আ’লীগ সরকারের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ উল্লেখ করে বলেন, সরকার জনসমর্থন হারিয়ে পাহাড়ি জনগণের ন্যায্য আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আশ্রয় নিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করে বলেন, আ’লীগ সন্ত্রাসী কর্তৃক মহালছড়িতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকের ওপর হামলা,  পানছড়িতে ৩টি দোকান ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে উল্টো ইউপিডিএফ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। এটা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকার ও প্রশাসন যদি মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জড়িয়ে নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় ও আন্দোলন দমনের চেষ্টা করে, তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ তার সমুচিত জবাব দেবে। তখন যে কোন পরিস্থিতির জন্য সরকারকেই দায়ী থাকতে হবে।
—–

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.