সন্তু গ্রুপ অস্ত্রের চালান পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে

0
1

সিএইচটিনিউজ.কম

ছবি: প্রতীকী
ছবি: প্রতীকী

বিশেষ প্রতিনিধি: জনসংহতি সমিতি সন্তু গ্রুপ ভারতের সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর মাধ্যমে অস্ত্রের চালান পেতে মরিয়া হয়ে  উঠেছে। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এসব অস্ত্র ও গোলা বারুদের দাম পরিশোধ করার  জন্য সন্তু গ্রুপ ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম থেকে আড়াই কোটি টাকা মূল্যের ডলার কিনেছে। এই  ডলারগুলো বর্তমানে রাঙামাটিতে সন্তু লারমার কাছে জমা রয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশের টাকা ভারতের রুপীতে বদলাতে সমস্যা হচ্ছে বলে সন্তু লারমাকে ডলারে অস্ত্রের মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে।

দিল্লীতে বসবাসরত করুণালংকার ভিক্ষু ও মিজোরামে অবস্থানরত সন্তু গ্রুপের তথাকথিত ফিল্ড কমান্ডার (এফসি) লক্ষ্মী প্রসাদ চাকমা ওরফে দেবাশীষ ওরফে রাজার মাধ্যমে এই ডলার  হস্তান্তর হবে বলে জানা গেছে। এরপরই তারা অস্ত্রের চালান বুঝিয়ে নেবে।

ভারতের আসাম রাজ্যের বোডো এলাকা থেকে এই অস্ত্রের চালান আসছে বলে সূত্রটি  জানিয়েছে।

কিছু দিন আগে করুণালংকার ভিক্ষু মিজোরাম গিয়ে অস্ত্র ক্রয়ের ব্যাপারে কথা পাকাপাকি করে দিল্লী ফিরে যান। তিনি সেখানে অবস্থান করে ভারতের বিভিন্ন বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর সাথে যোগাযোগ রাখেন ও সন্তু লারমার জন্য অস্ত্র ও গোলা বারুদ সংগ্রহের কাজ তদারকি করেন।

অপরদিকে লক্ষ্মী প্রসাদ চাকমা হলেন সন্তু লারমার নিকট আত্মীয়। তিনি মূলত ভারতের মিজোরামে অবস্থান করে সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদের সরবরাহ পাঠিয়ে থাকেন। তিনি এফসির দায়িত্বে থাকলেও সশস্ত্র গ্রুপগুলোকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করেন সন্তু লারমা নিজে। তিনিই কোথায় কখন কি ধরনের এ্যাকশন করা হবে বা সশস্ত্র গ্রুপগুলো কোথায় অবস্থান করবে তার নির্দেশ দিয়ে থাকেন।

অস্ত্র ও গোলা বারুদের চালানটি হাতে পৌঁছে গেলে সন্তু লারমা এইগুলো জুম্ম জনগণের আন্দোলনের স্বার্থে নয়, বরং আগের মতো তার নিজ ভাইয়ের বুক ঝাঁঝরা করে দিতে ব্যবহার করবেন এমনটাই আশঙ্কা করছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের সচেতন মহল।
——————-

সিএইচটিনিউজ.কম’র প্রচারিত কোন সংবাদ, তথ্য, ছবি ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দিলে যথাযথ সূত্র উল্লেখপূর্বক ব্যবহার করুন।


Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.